1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ইবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা অভিযোগ নিয়ে পুলিশে গিয়ে বিপাকে উরফি জাভেদ নতুন ভূমিকায় সানিয়া মির্জা, লড়ছেন নির্বাচনে অনলাইন ডেস্ক  চোখের অঞ্জনি কী, কেন বারবার হয়? ঢাকা-টোকিও যৌথ বিবৃতি বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানের ঘোষণা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ভ্যান চালকের ছদ্মবেশে মাদক বিক্রি, ১৫৫ গ্রাম গাঁজাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার ২৭ অক্টোবর আজকের নামাজের সময়সূচি বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা স্বাধীন বাংলাদেশের লজ্জা: জিএম কাদের চার বছর পেরিয়ে পঞ্চমে দৈনিক শ্যামল বাংলা, “দৈনিক প্রতিদিনের দৃশ্যপটের”শুভেচ্ছা ছোট মাহির কাঁধেই ‘নাম্বার নাইন’-এর ভার!

চোখের অঞ্জনি কী, কেন বারবার হয়?

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ Time View

 

 

 

অনলাইন ডেস্ক 

 

মাঝে মধ্যেই আমাদের চোখে লালচে বর্ণের স্টাই বা অঞ্জনি হয়। তখন দুই-তিন দিন বা অনেকক্ষেত্রে সপ্তাহখানেক খুব বেগ পোহাতে হয়। ব্যথা সহ্য করে চলতে হয়। কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না যে, আসলে কেন এই অঞ্জনি হয়েছে এবং কীভাবে তা থেকে মুক্তি পাবেন।

 

 

 

সম্প্রতি প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. ছায়েদুল হক।

 

 

 

চোখের অঞ্জনি কী

 

 

ডা. ছায়েদুল তার নিবন্ধে জানান, চোখের পাতায় দুই ধরনের গ্রন্থি আছে। ঘর্মগ্রন্থি এবং তৈলাক্ত সেবাম নিঃসরণকারী মেয়োবিয়ন গ্রন্থি। পাপড়ির গোড়ায় একাধিক ঘর্মগ্রন্থি বিদ্যমান, যেগুলো পাপড়ির গোড়ার বিদ্যমান থলি বা লেশ ফলিকুলে উন্মুক্ত। মেয়োবিয়ন গ্রন্থিগুলো আকারে বড় এবং পাতার কোণ থেকে অপেক্ষাকৃত দূরে অবস্থিত।

 

 

 

 

কোনো কারণে এসব গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে ঘাম এবং সেবাম ভেতরে আটকা পড়ে। এতে গ্রন্থিতে ইনফেকশন (সংক্রমণ) এবং প্রদাহ হয়। পাপড়ির থলি বা লেশ ফলিকুলে পুঁজ জমা হয়ে ফুলে যায়। এটি লালচে বর্ণ ধারণ করে এবং ব্যথা হয়। এটাই হলো স্টাই বা অঞ্জনি।

 

 

কেন বারবার হয়

 

 

ডা. ছায়েদুল বলেন, মেয়োবিয়ন গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে গ্রন্থিতে সেবাম জমা হয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করে ও ফুলে যায়। একে বলে কেলাজিয়ান। এতে কোনো ব্যথা থাকে না। অঞ্জনি এক থেকে দুই সপ্তাহে সেরে গেলেও কেলাজিয়ান অনেক সময় কয়েক মাস বা তারও বেশি সময় থাকতে পারে।

 

 

সংক্রমণ বা প্রদাহের ঝুঁকি বাড়ে যেসব কারণে তা হলো চোখের পাতায় খুশকি, ত্বকের সমস্যা যেমন সেবোরিক ডার্মাটাইটিস, রসাসিয়া একনি ইত্যাদি।

 

 

এ ছাড়া ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, হরমোনের প্রভাব, শুষ্ক ত্বক, চোখের স্ট্রেস যেমন রাত জাগা বা দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে কাজ করা, বারবার চোখ রগড়ানো বা চুলকানো এবং সাধারণ দৃষ্টি সমস্যা বা রিফ্রেক্টিভ এরর, ভুল প্রসাধনীর কারণেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

 

 

চিকিৎসা কী

 

 

অঞ্জনির চিকিৎসা হিসেবে গরম সেকের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছেন ডা. ছায়েদুল। তিনি বলেন, হালকা গরম পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে চিপে চোখের পাতা বন্ধ রেখে পাতার ওপরে কয়েক মিনিট ধরে রাখতে হবে। এতে পাপড়ির গোড়ায় যেসব ক্রাস্ট থাকে সেগুলো নরম হয়ে যায় এবং ঘন তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে গ্রন্থির মুখ খুলে যায়।

 

 

এ ছাড়া আরও কিছু চিকিৎসার কথা জানিয়েছেন তিনি—

 

 

 

অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ

 

প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন

 

কেলাজিয়ান—অনেক সময় নিজ থেকে ভালো হয়ে যায়। কখোনো ছোট একটি অপারেশনের প্রয়োজন হয়

 

 

প্রতিরোধে করণীয়

 

 

অঞ্জনি বা স্টাই প্রতিরোধে আমরা চিন্তায় পড়ে যাই। আবার এ-নিয়ে সমাজে প্রচলিত অনেক ধারণাও আছে। তবে এসব ধারণা ভুল বলে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি অঞ্জনি প্রতিরোধে করণীয় জানিয়েছেন ডা. ছায়েদুল:

 

 

 

চোখের পাতার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা। প্রয়োজনে বেবি শ্যাম্পু দিয়ে চোখের পাতার খুশকি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

 

দৃষ্টি সমস্যা থাকলে চশমা ব্যবহার করতে হবে।

 

রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে ।

 

 

 

প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

 

চোখের পাতা নখ দিয়ে খোঁটা বা চোখ রগরানোর অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com