
নিজস্ব প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার, ডিম, ভোজ্য তেল ও ডাবের বাজারদর ও সরবরাহ পরিস্থিতি যাচাইয়ে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সয়াধানগড়া, রেলগেট, বাজার স্টেশন ও বানিয়াপট্টি বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ।
অভিযানকালে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ পরিস্থিতি যাচাই করা হয়। বাজারে কিছুটা সংকট থাকলেও ডিলার পয়েন্টে সিলিন্ডার মজুদ পাওয়া যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে কোম্পানি পর্যায় থেকে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এ সময় ক্রয়-বিক্রয় ভাউচারও যাচাই করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বেশি দাম নেওয়া এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মেসার্স সিরাজগঞ্জ পেট্রোলিয়াম এজেন্সির প্রতিনিধি মো. নয়নকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে বাজার স্টেশনে ডিমের বাজারদর ও সরবরাহ পরিস্থিতি তদারকি করা হয়। খামার থেকে পাইকারি পর্যায়ে ডিম সরবরাহের ক্ষেত্রে ক্রয় রশিদ না থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মেসার্স আবু সাঈদ ডিমের আড়তের মালিক মো. আবু সাঈদকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এরপর বানিয়াপট্টি বাজারে ভোজ্য তেলের বাজারদর ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেখানে সরবরাহ স্বাভাবিক এবং ডিলার পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে অভিযানকারী দল জানায়।
এ ছাড়া ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে ডাবের চাহিদা ও দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় ডাবের দোকানগুলোতেও বিশেষ তদারকি করা হয়।
অভিযানে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।