1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রায়গঞ্জে ‘ইউপি চেয়ারম্যান ফোরাম’গঠন “সেবার ব্রতে চাকরি” — বাংলাদেশ পুলিশে টিআরসি নিয়োগ কার্যক্রম শুরু নব্বই দশকের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা আর নেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন পেসার রুবেল হোসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে চীনের পাল্টা ঘোষণা টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের ভিসা পেতে সমকামী সাজছেন অনেক অভিবাসীরা  ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ৩ লক্ষ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২ হোসেনপুরে বর্ষবরণে তাঁতীদলের ব্যতিক্রমী আয়োজন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

আদম বেপারির প্রতারণায় সব হারিয়ে দেশে ফিরলেন তাড়াশের দুই যুবক

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬ Time View
আদম বেপারীর খপ্পরে পড়ে ২৫ দিন অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশের মো. শিহাব উদ্দিন ও মো. হাবিবুর রহমান নামের দুই যুবক। আর জমি বিক্রি করে এবং সঞ্চয় সব টাকা খুইয়ে স্বচ্ছল জীবনের স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে গিয়ে দুই যুবক শুধু মাত্র জান নিয়ে ফিরতে পেরেছেন দেশে।
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামে।
ভুক্তভোগী মো. শিহাব উদ্দিন উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি ও মো. হাবিবুর রহমান বিনসাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আর আদম বেপারি জাহাঙ্গীর আলম ও জলি খাতুন বিনসাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
বর্তমানে আদম বেপারির কাছে প্রতারিত দুই যুবক সব মিলে ২৬ লাখ টাকা দেওয়ার পরও কাজ না পেয়ে বরং নির্যাতিত এবং সর্বশান্ত হয়েছেন।  পাশাপাশি রাতে ঘুমের ঘোরে নির্যাতনের সেই বিভিশিকা ভুলতে না পেরে ঘুমের মধ্যেই চিৎকার করে প্রলাপ বকছেন।
অবশ্য, ভুক্তাভোগী যুবক শিহাব উদ্দিন এর প্রতিকার চেয়ে ১২ এপ্রিল আদম বেপারী মো. জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর পুত্রবধু মোছা. জলি খাতুনের বিরুদ্ধে তাড়াশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিনসাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. জাকারিয়া হোসেন গ্রীসে থাকেন। তার সূত্রে ধরে তার বাবা মো. জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী মোছাঃ জলি খাতুন গ্রীসে যেতে ইচ্ছুক মো. শিহাব উদ্দিন ও মো. হাবিবুর রহমানের সাথে গত ফেব্রুয়ারি প্রথম দিকে গ্রীসে পাঠানোর জন্য তাদের সাথে দেন দরবার করেন। এরপর দরকষাকষি শেষে তাদের দুজনের কাছ থেকে দুই দফায় ২৬ লাখ টাকা জলি খাতুন ও তার শ্বশুড় জাহাঙ্গীর আলম গ্রহণ করেন এমনই ভাষ্য ভুক্তভোগী শিহাব উদ্দিনের।
শিহাব ও হাবিবুর রহমান জানান, আদম বেপারী জাহাঙ্গীর ও তাঁর পুত্রবুধ জলি খাতুনকে টাকা দেওয়ার পর গত ৭ মার্চ তাঁদের পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে আমাদের কে গ্রীসে যাওয়ার উদ্দ্যেশে ঢাকা বিমান বন্দরে পরিনত এনে একটি বিমানে তুলে দেন। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তি আমাদের লিবিয়ার বেনগাজি বিমান বন্দরে নামতে বলেন। আমরা সে মোতাবেক বিমান থেকে নামার পরপরই ওই দেশের দুই ব্যক্তি জাকারিয়ার লোক হিসেবে আমাদের কে গ্রহণ করেন। পাশাপাশি একটি মাইক্রো গাড়িতে করে লিবিয়ার একটি অঞ্চলে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। পরে একটি ছোট্ট কক্ষে পূর্বে থেকে অবস্থান করা আরো প্রায় ৪০ জন লোকের সাথে আমাদের ওই রুমে রেখে তালাবদ্ধ করে চলে যান।
তারপর থেকে প্রায় ২০ দিন ধরে অনাহারে অধহারে রেখে দফায় দফার টাকার জন্য মানিসক-শারিরীক নির্যাতন করতে থাকে। এক পর্যায়ে জনপ্রতি ১০ লাখ টাকা দাবি করে দুজনের পরিবারের কাছে ফোনে দুই মিনিট কথা বলার সুযোগ দেন। পরবর্তীতে আমাদের পরিবার ওই আদম বেপারী জাহাঙ্গীর আলম ও জলি খাতুনের সাথে যোগাযোগ করেন।
তখন জলি এবং জাহাঙ্গীরের কথা মতো আমাদের দুই পরিবার সদস্যরা জনপ্রতি ৭ লাখ টাকা লিবিয়ার ওই মাফিয়াদের কাছে হুনডির মাধ্যমে টাকা পাঠায়। টাকা পাঠানোর একদিনের পর আমাদের দুজনকে মাফিয়া চক্র ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে লিবিয়াতে অবস্থান করা আদম বেপারী জলি খাতুনের মামা নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ডাহিড়া ইউনিয়নের আয়েশ গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী বাশারের মাধ্যমে আবার ১ লাখ টাকা দিয়ে আমরা সব খুইয়ে শুধু জান নিয়ে ৫ এপ্রিল দেশে ফিরে এসেছি এমনটি ভাষ্য, বিদেশ ফিরত প্রতারিত যুবক হাবিবুর রহমানের।
এ ব্যাপারে বুধবার দুপুরে মুঠোফোনে শিহাব ও হাবিবুর রহমানকে গ্রীসে পাঠানোর জন্য নিজে ৪ লাখ এবং তাঁর শ্বশুর জাহাঙ্গীর আলম ১ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন আদম বেপারী মোছা. জলি খাতুন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরাসরি গ্রীসে যাওয়া যায় না। এ কারণে প্রথমে তাঁদের দুজনকে পাঠানো হয়েছিল লিবিয়ায় অবস্থানরত আমার মামা বাশারের কাছে। কিন্তু শিহাব ও হাবিবুর রহমান যে উচ্চ মূল্যের কাজ চেয়ে তা না পেয়ে ফিরত এসেছেন।
আর  এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, তদন্তের কাজ চলছে। আইনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com