স্কুল ম্যানেজিং কমিটির ( এসএমসি ) রেজুলেশন ও শিক্ষা অফিসের অনুমতি ছাড়াই গোপনে প্রতিষ্ঠানের পুরাতন লোহার সিট ও হাই ব্রেঞ্চসহ আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে।
প্রত্যেক্ষদর্শী ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের হাসনা মুজিব লুৎফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার স্কুল চলার সময় লোকচক্ষুর আড়ালে স্কুলের গোডাউনে রাখা পুরাতন প্রায় ১৫/২০ টি লোহার সিট ও হাই ব্রেঞ্চ, চেয়ার – টেবিলসহ আসবাবপত্র বিক্রি করে দেয় স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর নিকট। এই পরিত্যক্ত আসবাবপত্র বিক্রির পুরো টাকা প্রতিষ্ঠানে জমা না দিয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম একাই আত্মসাৎ করেছে বলে তারা জানান।
স্কুলের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী আমিনুর রহমান বলেন, ঐ দিন স্কুলের শিক্ষকগণ শ্রেণি পাঠদানে ব্যস্ত এমন সময় প্রধান শিক্ষক স্কুলের গোডাউন থেকে পুরাতন ভাঙা পরিত্যক্ত লোহার টেবিল, চেয়ার, সিট ও হাই ব্রেঞ্চসহ আসবাবপত্র বের করে দেন। তবে, সেগুলো বিক্রি বা মেরামতের জন্য বের করে দেন তার কিছুই বলতে পারবো না।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অরুন দত্ত বলেন, এবিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। এমনটি হলে তা অবশ্যই দুঃখ জনক। ঘটনা বিস্তারিত জেনে আমি উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবগত করবো।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো ফজলুর রহমান বলেন, সরকারি সম্পদ সে এভাবে বিক্রি করতে পারে না। যদি এমনটা করে তাহলে তদন্ত করে প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







