
দৃশ্যপট ডেস্ক রিপোর্ট
অসহায়ত্বের অন্ধকারে যখন চারদিক নিঃশব্দ, তখন মানবিকতার আলোই হয়ে ওঠে শেষ ভরসা। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের যুবক হাসানের জীবনে ঠিক তেমনই এক আশার আলো জ্বালাল মানবিক মানুষের হাত।
দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে পা চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়ায় থেমে গিয়েছিল হাসানের কর্মজীবন। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে চিকিৎসার ব্যয় বহনে অক্ষম হয়ে পড়ে তার পরিবার। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে জীবন আর মৃত্যুর দোলাচলে দিন কাটছিল তার।
এমন সময় এগিয়ে আসে ‘সুখ পাখি মানবিক সংগঠন’। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শেখ রজবের উদ্যোগে ‘আলোর জন্য যাকাত তহবিল’ থেকে হাসানের ওষুধ ও হাসপাতালের বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এই সহায়তায় নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন হাসান। চিকিৎসা শেষে খুব শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আবারও তার প্রিয় অটোরিকশার সিটে বসার আশা করছেন তিনি। তার ফেরায় আবার সচল হবে একটি অসহায় পরিবারের জীবন-জীবিকার চাকা।
এই মানবিক উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন আমেরিকা প্রবাসী এক মানবিক হৃদয়ের বড় ভাই, যিনি শেখ রজবের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পাঠাচ্ছেন। সুদূর প্রবাসে থেকেও দেশের অসহায় মানুষের কষ্টে যার হৃদয় কেঁদে ওঠে—এই সহানুভূতির হাতই আজ একটি পরিবারকে সর্বনাশের কিনারা থেকে ফিরিয়ে এনেছে।
নিঃস্বার্থ সহায়তা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মিলনে আজ মানবতার জয় হলো। স্থানীয়দের মতে, সঠিক নেতৃত্ব ও উদার মন থাকলে সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষটিও ফিরে পেতে পারে জীবনের আলো।
‘সুখ পাখি মানবিক সংগঠন’সহ এই মানবিক উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।