1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

দেড় মণ ধানের সমমূল্যে মিলছে একজন কৃষি শ্রমিক

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪ Time View
ন্যাশনাল ডেস্ক

 

যশোরের কেশবপুরে বোরো মৌসুমে জমে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী ‘শ্রমিকের হাট’। এখানে দেড় মণ ধানের সমমূল্যে মিলছে একজন কৃষি শ্রমিক। শ্রমিক সংকট ও ধান কাটার চাপ বাড়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে শ্রম বিক্রি হচ্ছে।

 

 

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রাম বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ভোরের আলো ফুটতেই শত শত কৃষি শ্রমিক কাঁচি ও বাখ-দড়ি নিয়ে হাজির হয়েছেন। তারা ধান কাটা, বাঁধা, বাখে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া, ঝাড়াই ও বিচালী গাদা দেওয়াসহ নানা কাজে নিয়োজিত হন।

 

 

শ্রম বিক্রি করতে আসা দোরমুটিয়া গ্রামের আব্দুল রহিমন জানান, সকাল ৬টার দিকে কাজের জন্য তিনি হাটে এসেছেন। বাখে করে ধান বহনের জন্য তিনি ১ হাজার ৬০০ টাকা মজুরি চাইছেন, যেখানে অন্য সময়ে একই কাজ ৫০০ টাকায় করতেন।

 

 

শ্রমিক কিনতে আসা আলাউদ্দিন বলেন, এক বিঘা জমির ধান কেটে বিচালী বেঁধে আনার জন্য তিনি ২০ জন শ্রমিক নিয়েছেন, জনপ্রতি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে। সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তারা কাজ করবেন।

 

 

স্থানীয়দের মতে, প্রায় ১৫ বছর ধরে এ হাটে দূর-দূরান্ত থেকে শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে আসেন। ধান চাষি ফজলু বলেন, একদিন বা এক সপ্তাহের জন্য শ্রমিক ‘কেনা’ হয় এখানে। বর্তমানে জনপ্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় শ্রমিক নেওয়া হয়েছে।

 

 

আরেক কৃষক মফিজুর রহমান বলেন, ধানের দাম কম থাকলেও শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে কয়েকগুণ। প্রতি মণ ধান ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও শ্রমিকের মজুরি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা। এতে কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

 

 

কেশবপুর উপজেলা আড়ত ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন জানান, বর্তমানে মোটা ধান প্রতি মণ ১ হাজার টাকা এবং চিকন ধান ১ হাজার ৮০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

 

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বছর কেশবপুরে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ১৩ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। মৌসুমে শ্রমিকের চাহিদা বেশি থাকায় মজুরি বেড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com