1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তোলা হচ্ছে সালমান শাহ’র মরদেহ হলুদ জার্সিতে সিরাজগঞ্জ শহর মাতালো ব্রাজিল ভক্তরা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে টেকনাফে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত  চুয়াডাঙ্গায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে অভি ফুড প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মান্দায় বিলের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখননের দাবিতে কৃষকের মানববন্ধন বিয়ের অনুষ্ঠানে মসজিদে খেজুর ছিটানো যাবে কি বাজেটে বাড়ছে না সিগারেটের দাম সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাজেটে মোবাইল, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিপণ্যে বড় সুখবর মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক যুদ্ধ, ভূঞাপুরে শোভা পাচ্ছে সতর্কবার্তা 

তাড়াশে ঐতিহ্যবাহী দই মেলা অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২২৭ Time View
তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
প্রতি বছরের মতো এ বছরও তাড়াশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী দই মেলা। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এ মেলার আয়োজন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, তাড়াশে শ্রীপঞ্চমী তিথিতে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রতি বছর এ মেলা বসে। প্রায় ৩০০ বছর ধরে এটি চলে আসছে।
মেলায় তাড়াশ ও আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দই ও মিষ্টির পসরা নিয়ে হাজির হন ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা ছুটে আসেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে দই মেলার উৎসব। ক্ষীরসা দই, রাজাপুরের দই, শেরপুরের দই, বগুড়ার দই, টক দই ও শ্রীপুরী দইসহ নানা ধরনের দই মেলে এ মেলায়।
আজ শুক্রবার ভোর থেকেই তাড়াশ উপজেলার ঈদগাহ মাঠজুড়ে দই মেলা শুরু হয়।
তাড়াশ উপজেলা সনাতন সংস্থার সভাপতি তপন কুমার গোস্বামী জানান, তৎকালীন জমিদার বনোয়ারী লাল রায় বাহাদুর অষ্টাদশ শতকে প্রথম দই মেলার প্রচলন করেছিলেন। জনশ্রুতি আছে, জমিদার রাজা রায় বাহাদুর দই ও মিষ্টি পছন্দ করতেন। এ ছাড়া জমিদার বাড়িতে আসা অতিথিদের আপ্যায়নে এ অঞ্চলে ঘোষদের তৈরি দই পরিবেশন করা হতো।
প্রতি বছর শীত মৌসুমের মাঘ মাসে শ্রীপঞ্চমী তিথিতে দই মেলায় বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর থেকে ঘোষেরা দই এনে পসরা বসিয়ে বেচা-কেনা করতেন। কথিত আছে, সবচেয়ে ভালো ও সুস্বাদু দই তৈরিকারক ঘোষকে জমিদারের পক্ষ থেকে পুরস্কৃতও করা হতো। সে থেকেই এখনও চলে আসছে এ দই মেলার আয়োজন। যদিও তিনদিনের মেলার সময় কমে এখন দাঁড়িয়েছে একদিনে।
তাড়াশে দই বিক্রি করতে আশা আনন্দ ঘোষ বলেন, ‘দুধের দাম, জ্বালানি, শ্রমিক খরচ ও দই পাত্রের মূল্য বৃদ্ধির কারণে দইয়ের দামও বেড়েছে। তবে মেলা এক দিনব্যাপী হলেও চাহিদা বেশি থাকায় এ মেলায় দই অবিক্রিত থাকে না।’
একইভাবে তাড়াশে দই নিয়ে হাজির হয়েছেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। দাম বেশি হলেও দইয়ের বেচাকেনা অনেক ভালো বলে উল্লেখ করেন তারা।
তাড়াশে দই মেলায় দই নিয়ে আসা এনায়েতপুরের ব্যবসায়ী রনজিত ঘোষ বলেন, তিনি এ বছর মেলায় ৫০০ দই নিয়ে এসেছিলেন। দুপুরের আগেই ৩০০ দই বিক্রি হয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com