1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
এবার ৫-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারালো ব্রাজিল কাতলীয়ভাবে ১৩ জুন তারিখেই সিরাজগঞ্জের তিন প্রভাবশালী মন্ত্রীর মৃত্যু শিক্ষক মাস্টার কুতুব উদ্দিনের স্মরণে যশোরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা ছিনতাই: ইয়াবাসহ আটক ২ নাসিরনগরে উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন, এম এ হান্নান এমপি মান্দায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বিতরণ মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন সক্রিয় হাতিয়ে নিয়েছে অঢেল অর্থ:ভূমিমন্ত্রী মিনু নলডাঙ্গায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে চোখের ছানি অপারেশন  বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতানো সঞ্জয়ের অজানা তথ্য  আপত্তিকর ভিডিও, নারী প্যানেল চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি

কাতলীয়ভাবে ১৩ জুন তারিখেই সিরাজগঞ্জের তিন প্রভাবশালী মন্ত্রীর মৃত্যু

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ৬ Time View

 

 

জেষ্ঠ্য প্রতিবেদক। দৃশ্যপট ডেস্ক 

 

তারা তিনজনই স্ব স্ব সময়ে জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিলেন। তিনজনই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনজনই সিরাজগেঞ্জ জেলার বাসিন্দা। কাকতলীয় হলেও সিরাজগঞ্জের তিন প্রভাবশালী মন্ত্রীর মৃত্যুর তারিখও একই।

 

 

 

আজ ১৩ জুন। পাকিস্তান সরকারের শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ৫১তম, তাঁর জামাতা সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ডা. এম এ মতিনের ১৪তম এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী।

 

 

 

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ১৯০০ সালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের কয়েলগাঁতী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

 

 

 

বৃটিশ ঔপনিবেশ আমলে বাঙালি মুসিলম স্বার্থরক্ষার আন্দোলনের অগ্রসৈনিক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারি ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান, পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পাবনা-১ আসনের এমএলএ নির্বাচিত হন। পরে পাকিস্তান কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে জয়েন্ট চিফ হুইপ; পরবর্তীতে পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৪২সালে বেঙ্গল প্রভিনশিয়াল মুসলিমের এসিট্যান্ট সেক্রেটারী হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৪৫ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় নেতা হিসাবে ইমপেরিয়াল জুট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলে যার সদর দপ্তর ছিল লন্ডনে।

 

 

 

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। বড় ছেলে বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছোট ছেলে মনজুর হাসান মাহমুদ খুশি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

 

 

 

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ১৯৬৯ সালে বার্ধক্যজনিত কারণে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেন। ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন ত্যুবরণ করেন

 

 

 

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বড় মেয়ে তাসমিনা মাহমুদের স্বামী ডা. এম এম মতিন জাতীয় পার্টি সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে জন্ম নেয়া এম এ মতিন ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। শাহজাদপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে তিনি জিয়াউর রহমান ও পরে এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। দুই সরকারে তিনি স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, যুব ও ক্রীড়া, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপালন করেছেন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও তিনি দায়িত্বপালন করেন। জীবনের শেষদিকে এসে তিনি জাতীয় পার্টি (মতিন) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

 

এম এ মতিনের বড় ছেলে ডক্টর এম এ মুহিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

 

ডা. এম এ মতিন ২০১২ সালের ১৩ জুন রাজধানীর শান্তিনগরের বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন।

 

 

 

২০২০ সালের ১৩ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর শ্যামলী স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জেলার আরেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

 

 

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর শহীদ এম মনসুর আলীর মেজ ছেলে মোহাম্মদ নাসিম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের কুড়িপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। আশির দশক থেকে শুরু করে তিনি টানা পাঁচ দশক জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুব বিষয়ক সম্পাদক, এরপর প্রচার সম্পাদক, তারপর টানা দুই মেয়াদে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যের পাশাপাশি ১৪ দলের সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন নাসিম।

 

 

 

টানা চার বারসহ মোট ছয় বারের সংসদ সদস্য নাসিম ১৯৯১ সালে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে প্রথমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তীকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৪ সাল থেকে তিনি পাঁচ বছর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com