1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমলের বিধান

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১১ Time View

ইসলাম ডেস্ক

 

লাইলাতুল কদর বা শবে কদর বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। এই রাত হাজার বছরের চেয়ে উত্তম। রমজানের শেষ দশকের কোনো এক রাতে এই পবিত্র রজনী। নির্দিষ্ট করে লাইলাতুল কদর চিহ্নিত করা হয়নি। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করো।’ (বোখারি : ২০১৭)

 

 

মহিমান্বিত এই রজনী ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমল’। বিভিন্ন পুস্তিকায় এই নামাজ ও আমল নিয়ে বিভিন্ন নিয়মের কথাও লেখা থাকে।

 

আবার কেউ কেউ দাবি করেন, বিশেষ সুরা দিয়ে নামাজ পড়া বা নির্ধারিত রাকাত নামাজ বিশেষ সুরা দ্বারা আদায় করতে হয়। তাই প্রশ্ন জাগে, হাদিস শরিফে এই রাতে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ বা আমল আছে কি? থাকলে এ ব্যাপারে শরয়ি বিধান কী?

 

 

এ প্রসঙ্গে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ কালবেলাকে বলেন, কোরআন-হাদিসে শবে কদর বা শবে বরাতের জন্য বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ নেই। সবসময় যেভাবে নামাজ পড়া হয়, সেভাবেই পড়বেন। অর্থাৎ দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব হয় আদায় করবেন এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব হয় পড়বেন। তদ্রূপ রোজা বা অন্যান্য আমলেরও বিশেষ কোনো পন্থা নেই।

 

এই দুই রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তেগফার ইত্যাদি নেক আমল যে পরিমাণ সম্ভব হয়, আদায় করবেন। তবে নফল নামাজ দীর্ঘ করা এবং সিজদায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা উচিত, যা হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়।

 

 

বিভিন্ন বই-পুস্তকে নামাজে যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে, অর্থাৎ এত রাকাত হতে হবে, প্রতি রাকাতে এই এই সুরা এতবার পড়তে হবে- এগুলো ঠিক নয়। হাদিস শরিফে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা।

 

 

নফল আমল আদায়ের পদ্ধতি কী?

 

 

বিশুদ্ধ মতানুসারে, শবে বরাত ও শবে কদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ তো অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বেন। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার প্রমাণ হাদিস শরিফে নেই , এমনকি সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। তবে কোনো আহ্বান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায়, তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলে ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না। (ইকতিজাউস সিরাতিল মুস্তাকিম : ২/৬৩১-৬৪১ ও মারাকিল ফালাহ : পৃ. ২১৯)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com