
দৃশ্যপট ডেস্ক:
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এবং র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার যৌথ অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানাধীন বহুল আলোচিত কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী মো. নাইম হোসেন (২০) গ্রেফতার হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ( ২৩ অক্টোবর) র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত মো. নাইম হোসেন, পিতা- মো. রহমত আলী, সাং- চর কামারখন্দ, থানা- কামারখন্দ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ১৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ সকালে কামারখন্দ থানার কর্ণসুতী দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মোছা. খাদিজা আক্তার (১৪) মাদ্রাসায় যাওয়ার পর আর বাড়ি ফিরে আসেনি। সন্ধ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ফোনে তার পরিবারকে জানায়, খাদিজা অচেতন অবস্থায় সিরাজগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে ভর্তি আছে।
পরিবার সেখানে গিয়ে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। জ্ঞান ফেরার পর খাদিজা জানায়, সে মাদ্রাসা থেকে কলম কিনতে যাওয়ার সময় ওৎ পেতে থাকা আসামিরা সিএনজিতে করে তাকে তুলে নেয় এবং জোরপূর্বক কামারখন্দ উপজেলার ডেরা ফাস্ট ফুড অ্যান্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
প্রধান আসামী নাইম হোসেন ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণে অজ্ঞান অবস্থায় ভিকটিমকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিমের মা কামারখন্দ থানায় মামলা করেন (মামলা নং-০৯, তারিখ ২০/১০/২৫, ধারা— নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-০৩) এর ৭/৩০/৯(১))।
মামলার পর থেকেই আসামী পলাতক ছিল। র্যাব-১২ ও র্যাব-১১ এর একটি যৌথ চৌকস দল অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের নির্দেশনায় ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার জিয়ারকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামী নাইম হোসেনকে গ্রেফতার করে।
র্যাবের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. আহসান হাবিব বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে কামারখন্দ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।”