1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রায়গঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ে চার মাদক কারবারির কারাদণ্ড চেকপোষ্ট থেকে ২ লক্ষ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ, থানায় মামলা সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্নাকে নিয়ে ফেসবুকে ভুয়া তথ্য পোস্ট করায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা লিবিয়ায় অপহৃত আলমগীর, আড়াই মাস পর মৃত্যুর খবর তাড়াশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই গোডাউন সহ একাধিক বাসাবাড়ি দেশ দেখার নেশায় ঘর ছেড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মোবাশ্বের, সঙ্গী দুই চাকার বাহন পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ সিএমপিতে ‘সাইবার সাপোর্ট অ্যান্ড রেসপন্স সেন্টার’ এর যাত্রা শুরু রায়গঞ্জে পুলিশের অভিযানের পরেও যানজট,পথচারীদের দুর্ভোগ

এক জেলের জালে  ধরা পড়েছে বিরল ‘ব্রাউন সার্জনফিশ’, দেখতে জনতার ভিড়

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬০ Time View

 

 

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ‘ব্রাউন সার্জনফিশ’। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে মাছটি বিক্রির জন্য মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসা হলে এটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভিড় জমে যায়। কোনো কোনো এলাকায় এই মাছটি ‘ট্যাং মাছ’ নামেও পরিচিত।

 

 

গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ জেলের জালে ধরা পড়ে এই বিচিত্র গড়নের মাছটি।

 

 

ওয়ার্ল্ডফিশ-এর সাবেক গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানান, সার্জনফিশ পরিবারের এই মাছটির শরীর পাশ থেকে চাপা ও ডিম্বাকৃতি, যা একে পানিতে দ্রুত চলাচলে সহায়তা করে। এর গায়ের রং সাধারণত ধূসর থেকে বাদামি হয় এবং চোখ ও পাখনার আশপাশে হালকা সোনালি বা হলুদ আভা দেখা যায়।

 

 

তিনি আরও জানান, এই মাছের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো লেজের গোড়ায় থাকা অত্যন্ত ধারালো কাঁটা। এটি অনেকটা সার্জনের ব্যবহৃত ‘স্কালপেল’ বা চাকুর মতো ধারালো হওয়ায় এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘সার্জনফিশ’। আত্মরক্ষার সময় এটি এই কাঁটাকে অস্ত্রের মতো ব্যবহার করে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, এ ধরনের সার্জনফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সচরাচর দেখা যায় না। তবে বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানিতে এদের বিচরণ রয়েছে। এরা মূলত প্রবালপ্রাচীর এলাকায় বসবাস করে এবং শৈবাল খেয়ে সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

 

 

মাছটি সাধারণ খাবারের মাছ হিসেবে খুব একটা প্রচলিত নয়; বরং এর রঙিন ও বিচিত্র রূপের কারণে অ্যাকোয়ারিয়ামের ‘শো-পিস’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

 

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই মাছ সাধারণত কেজি দরে নয়, বরং পিস হিসেবে বিক্রি হয়। প্রজাতিভেদে একেকটি মাছের দাম ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

 

 

মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, মাছটি পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ধরার সময় বা পরিষ্কার করার সময় লেজের সেই ধারালো কাঁটার আঘাতে জখম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই জেলেদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

 

মৎস্য বন্দরে মাছটি দেখতে আসা মো. সোহেল রানা বলেন, এমন অদ্ভুত মাছ আমরা আগে কখনও দেখিনি। দেখতে একদম আলাদা, তাই কৌতূহল নিয়ে কাছ থেকে দেখতে এসেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com