1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কমিটির ১৫ দিন পর জাতীয় পার্টির ২২ নেতার পদত্যাগ চৌহালীতে ৪৮ মেট্রিক টন  সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ রাজধানী ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নাসিরনগরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ এমপিও কাগজপত্রে কারসাজির অভিযোগ, পীরগঞ্জে শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান করার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন আমতলী চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে যুবদল আহ্বায়কের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন ও পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতা অভিযান  সিংড়ায় গাঁজার গাছসহ মাদক ব্যবসায়ি আটক ‘খোলা আকাশ সেলুন’ শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে নাচোলের গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ সলঙ্গায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

চৌহালীতে ৪৮ মেট্রিক টন  সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ Time View
চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

 

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দের প্রায় ৪৮ মেট্রিক টন সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদ্যবদলি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হেকমত আলীর দিকে।

 

 

অভিযোগ রয়েছে, ঘোড়জান, খাষকাউলিয়া, খাষপুখুরিয়া, বাঘুটিয়া ও উমারপুর ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ করা প্রায় ৪৮ মেট্রিক টন চাল যথাযথভাবে বিতরণ না করে সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

 

 

অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে বুধবার বাঘুটিয়া ও খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গুদাম পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান শাকিল। সরেজমিনে গিয়ে দুটি ইউনিয়নেই সরকারি চালের হিসাবে গরমিল পাওয়া যায়।

 

 

বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে ৬০০ বস্তা বা ১৮ মেট্রিক টন চাল থাকার কথা থাকলেও পাওয়া যায় ৫২০ বস্তা। অর্থাৎ, ৮০ বস্তা বা ২ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চালের ঘাটতি পাওয়া গেছে। আর খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে ৫ মেট্রিক টন চাল থাকার কথা থাকলেও সেখানে কোনো চাল পাওয়া যায়নি।

 

 

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েকটি ইউনিয়নের বরাদ্দের চাল বিতরণ না করে কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদে তড়িঘড়ি করে চাল সংগ্রহ করে গুদামে রাখার চেষ্টা করা হয়।

 

 

উমারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বলেন, ‘চাল বরাদ্দের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। পিআইও তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ডিওতে স্বাক্ষর নিয়েছিলেন। এখন শুনছি, পরিষদের বরাদ্দের সব চাল কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।’

 

 

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হেকমত আলীও। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। চেয়ারম্যানদের বরাদ্দের চাল উত্তোলন বা বিতরণের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

 

 

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান শাকিল বলেন, ‘সরেজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে চালের কিছু গরমিল পাওয়া গেছে। সব চেয়ারম্যানকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাল বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com