ন্যাশনাল ডেস্ক
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসার বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে পল্লবীতে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঢাকার পল্লবী এলাকায় রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীকে রামিসার বাবা বলেন, আপনি আমার বাসায় এসেছেন এতেই আমরা সৌভাগ্য।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী রামিসার বাবাকে বিচারের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের বিচার হবে ইনশাআল্লাহ। আমি এতটুকু বলতে এখানে এসেছি। আল্লাহর রহমতে বিচার আপনারাই দেখতে পারবেন। আসামিকে ইতোমধ্যে ধরা হয়েছে। আমার সঙ্গে এখানে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছে, ইনশাআল্লাহ বিচার হবে।
রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, আমিও একজন কন্যা সন্তানের বাবা। আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও কন্যা সন্তানের বাবা। কন্যা সন্তানের কষ্টটা আমরা বুঝি।
রামিসার বাবা বলেন, এই স্মৃতি নিয়ে কীভাবে বাঁচব আমি। মৃত্যু ছাড়া আমার কোনো শেষ নেই।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আপনার বড় মেয়ের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নেবেন। খুব দ্রুতই বিচার হবে ইনশাআল্লাহ। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলার চার্জশিট দেব।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বড় মেয়ের জন্য আপনাকে শক্ত হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামসহ বিএনপির স্থানীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীতে একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat