ন্যাশনাল ডেস্ক
হান্টাভাইরাস সংক্রমণের জেরে আটলান্টিক মহাসাগরের কেপ ভার্দের উপকূলের কাছে আটকে থাকা একটি প্রমোদতরী এমভি হন্ডিয়াসকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। নেদারল্যান্ডসের ওই জাহাজটিতে একের পর এক সংক্রমণের ঘটনা সামনে আসায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (০৭ মে) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, জাহাজটিতে থাকা হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত এক দম্পতি এমন কিছু এলাকায় ভ্রমণ করেছিলেন, যেখানে ভাইরাসটি বহনকারী বিশেষ এক প্রজাতির ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল। ওই দম্পতি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণ সফরে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস বলেন, কীভাবে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে তা এখনো তদন্তাধীন। আক্রান্তদের যাতায়াত ও সংস্পর্শের তথ্য সংগ্রহে আর্জেন্টিনার সঙ্গে কাজ করছে সংস্থাটি।
তিনি আরও জানান, জাহাজটির ক্যাপ্টেনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, জাহাজটি আবার চলাচল শুরু করায় যাত্রীদের মনোবল অনেকটাই ফিরে এসেছে।
এদিকে সংস্থাটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যন ক্যারকোহভ বলেন, জাহাজের সবাইকে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন, তাদের জন্য বাড়তি সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তাই রোগীদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ পদ্ধতি কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয়। সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শ ছাড়া এটি সহজে ছড়ায় না।
ক্যারকোহভ বলেন, এটি নতুন কোনো কোভিড মহামারির শুরু নয়। এটি একটি সীমিত প্রাদুর্ভাব, যা বর্তমানে একটি জাহাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat