সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আউশ মৌসুমে ব্রি- ৯৮ জাতের ধান চাষের সাফল্যের সম্ভবনা দেখছে কৃষকরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেশীগ্রাম ইউনিয়নের গুড়পিপুল, তালম ইউনিয়নের হাড়িসোনা গ্রামে অধিক ফলনশীল ৯৮ জাতের ধান রোপন করতে ব্যস্ত সময় পার করছে। অল্প খরচে অধিক ফলনের আশায় বৃষ্টির পানিতে ট্রাক্টর দিয়ে সামান্য পরিমাণ সার ব্যবহার করে ধান চাষ করা যায়। তিন ফসলী অধিকাংশ জমিতে ব্রি- ধান ৯৮ চাষ করতে পেরে স্থানীয় কৃষকরা বেজায় খুশি। কোথাও কোথাও চারা রোপন করছে আবার কোথাও ধান রোপনের জন্য জমিতে সার বুনছে।
প্রান্তিক কৃষক পলাশ মিয়া বলেন, এ মৌসুমে অধিক বৃষ্টি হয়, পানি সেচের খরচও কম। জোতদার কৃষক রইচ উদ্দিন ও সাইদুল ইসলাম জানান, "আগে জিরা ধান চাষ করা হতো, অধিক ফলনশীল ৯৮ জাতের ধান বিঘায় ১৬ থেকে ২০ মণ ধান জন্মে, কম খরচে লাভ বেশি, তাছাড়া আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই জাতের ধান ৬৫ দিনে কাটার উপযোগী হয়, বন্যার ঝুঁকি জেনেও এই ধান চাষ করি"।
দেশী গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জ্ঞানেন্দ্র নাথ বসাক বলেন,এই সময়ে কাজ না থাকায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারা অল্প খরচে কৃষক জমিতে ধানের চারা রোপন করে থাকে। সিরাজগঞ্জ জেলার ৬ হাজার হেক্টর জমিতে এ আউশ আবাদ হয়।
তাড়াশের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা জানান, কৃষকদের ব্রি- ধান ৯৮ আবাদে পরামর্শ দিচ্ছি, আউশ মৌসুমে এই জাতের ধান চাষে কৃষক আগ্রহী হয় কারণ খরাসহিষ্ণু দ্রুত বর্ধনশীল। তাড়াশ উপজেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২৫১২৫ হেক্টর এর মধ্যে ৩৬৬০ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat