সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রুমানা মাহমুদ বলেছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের মোড় ঘোরানো দিন হচ্ছে ঐতিহাসিক সাত নভেম্বর, সিপাহী-জনতার বিপ্লবের দিন। এই বিপ্লবের মাধ্যমে চরম বিশৃঙ্খল ও অনিশ্চিত এক দুঃখজনক অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ ।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত ঐতিহাসিক সাত নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই সব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সেদিন কাকডাকা ভোর থেকেই সারাদেশের শহরে-বন্দরে, গ্রামে-গঞ্জের পথ ঘাটে নেমে এলো হাজারো মানুষ। রেডিওতে ফের শোনা গেল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কণ্ঠস্বর, ‘আমি জিয়া বলছি। ফিরে এলো ২৬ মার্চের স্মৃতি। জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। বুকের ওপর থেকে সরে গেল জগদ্দল পাথর। পথে পথে শুরু হল বিপ্লব আর বিজয় উল্লাসের মিছিল। ১৯৭৫- এর ৭ নভেম্বরের পরে শুরু হয় আত্মমর্যাদাশীল স্বকীয় ‘বাংলাদেশী সংস্কৃতির বিকাশ ও স্বাধীন বাংলাদেশী জাতিসত্তার নতুন যাত্রা। উদিত হয় নতুন আশার নতুন সূর্য। আর এই নতুন সূর্যোদয়ের নতুন নায়ক ইতিহাসের বরপুত্র শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
আলোচনা সভায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, সাত নভেম্বরের অভ্যুত্থানটা হয়েছিল আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য। নভেম্বরের পটপরিবর্তনের পর প্রেসিডেন্ট জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী সত্তা হিসেবে রূপ লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে।
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মো. মজিবর রহমান লেবু, মো. মকবুল হোসেন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর দুলাল, আনিসুজ্জামান পাপ্পু, আবদুল কাদের, রকিবুল হাসান রতন, জাহাঙ্গীর হোসেন ভুঁইয়া সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন, নুর কায়েম সবুজ, মো. হারুন অর রশিদ খান হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু সাইদ সুইট, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শহর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সি জাহিদ আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন ভুঁইয়া সাফী, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাজমুল হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল জোয়ার্দার, জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক হাশিম তালুকদার, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক মো. মতিয়ার রহমান, সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন ঠান্ডু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন হাসি, সাধারণ সম্পাদিকা এলেমা বেগম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোরাদুজ্জামান মুরাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মিলন হক রঞ্জু,জেলা ছাত্র দলের সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সিরাজ।
