প্রায় ২৫ বছর আগে গজারিয়া ইউনিয়নের পানিশালের চর মৌজার উত্তর ফুলদী গ্রামে এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে খালের পাড় দিয়ে একটি রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয়দের চাপের মুখে আরএস ২৪০, ২৪১, ২৪৮, ২৫০ ও ২৫১নং দাগের সম্পত্তির মালিকরা জনস্বার্থে ৮ ফুট করে জায়গা ছেড়ে দেন। এই জমি সরকারিভাবে অধিগ্রহণ করা হয়নি এবং মালিকরা কোনো ক্ষতিপূরণও পাননি। পরবর্তীতে সেই পায়ে চলার পথটি পাকা রাস্তায় রূপান্তরিত হয় অধিকাংশ জায়গায় যার বর্তমান প্রস্থ প্রায় ১৪ ফুট।
রাস্তার পশ্চিম পাশের ঢালে বেশ কয়েকটি আধাপাকা দোকানঘর রয়েছে। সেখানে নতুন একটি দোকান নির্মাণের জন্য আরসিসি পিলার নির্মাণের কাজ চলছে। প্রশাসনের দাবি দোকানের শেষ প্রান্তের পিলারসহ প্রায় সাড়ে তিন ফুটের মত জায়গা খালের সীমানায় পড়েছে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ রাস্তার জন্য নির্ধারিত ৮ ফুটের চেয়ে অতিরিক্ত ৬ ফুট জায়গা নিয়ে নেওয়ায় তাদের দোকানগুলো বাধ্য হয়ে খালের দিকে সরে গেছে।
দোকান মালিক দুলাল মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার জায়গার ওপর ১৪ ফুট চওড়া রাস্তা হয়েছে, যার জন্য আমি কোনো টাকা পাইনি। এখন বলা হচ্ছে দোকানের সামান্য অংশ নাকি খালের ওপর পড়েছে। আমরা তো বালু দিয়ে খাল ভরাট করিনি শুধু পিলারের ওপর দোকান করেছি। এই দোকান ভেঙে দিলে আমরা পথে বসে যাব। হয় রাস্তার জায়গা কমিয়ে আমাদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হোক নয়তো বর্তমানে যেভাবে আছে সেভাবে ব্যবসা করতে দেওয়া হোক।”
এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “খালের জায়গায় দোকানের যতটুকু অংশ পড়েছে তা ভেঙে ফেলার জন্য আমরা ইতিমধ্যে দোকান মালিকদের নোটিশ প্রদান করেছি। সরকারি জায়গা উদ্ধারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
