দৃশ্যপট ডেস্ক রিপোর্ট
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ফুলজোড় নদীর পাড় থেকে অটোভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অবশেষে অগ্রগতি মিলেছে। দীর্ঘদিন ‘ক্লুলেস’ হিসেবে থাকা এ হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন এক আসামিকে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (২ মে) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরপরই র্যাব-১২ ও র্যাব-৪ যৌথভাবে তদন্তে নামে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়। একাধিক সূত্র যাচাই-বাছাই ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর দারুস সালাম থানার বড়বাজার এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে র্যাব। অভিযানে ‘ক্লুলেস’ এই হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি মো. রাসেল (২০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রাসেল সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তেলিজানা গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. হাসেমের ছেলে।
র্যাব সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পেছনের নেপথ্য রহস্য উদঘাটনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল রায়গঞ্জ উপজেলার ভুইয়াগাঁতী কালিকাপুর এলাকায় ফুলজোড় নদীর পাড় থেকে জাহের আলী আকন্দ (৬৫) নামের এক অটোভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের পরপরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের ধারণা ছিল, এটি ছিনতাইজনিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে, যদিও তদন্তের শুরুতে স্পষ্ট কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. বাবুল আকন্দ বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে।
র্যাব-১২ সদর কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন তাবরীজ তাজওয়ার শরীফ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat