দৃশ্যপট ডেস্ক রিপোর্ট
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা-এ প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ৭১ হাজার কোরবানিযোগ্য গবাদিপশু। দিনরাত পরিশ্রম করে লাভের আশায় দেশীয় পদ্ধতিতে ষাঁড় মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা।
উপজেলার বিভিন্ন বিল ও নদীকূল এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে ঘাস উৎপাদন বেশি হওয়ায় এখানে গরু-ছাগল পালন তুলনামূলক সহজ ও কম ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে প্রতি বছরই স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক কোরবানির পশু সরবরাহ করা হয়।
তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়েছে। এতে কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারিরা। তারপরও ভালো দামের আশায় পশু লালন-পালনে কোনো কমতি রাখছেন না তারা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত গবাদিপশুর মধ্যে রয়েছে ১৮ হাজার ৫৪৬টি ষাঁড়-বলদ, ৭৯৮টি মহিষ, ৪২ হাজার ৬২৮টি ছাগল এবং ৯ হাজার ১০০টি ভেড়া। সব মিলিয়ে প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৭১ হাজার ৭২টি পশু।
তিনি আরও জানান, উপজেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ৩২৮টি পশু। চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার ৭৪৮টি পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে।
তিনি বলেন, বিল ও নদীকূল এলাকায় প্রচুর প্রাকৃতিক ঘাস থাকায় রায়গঞ্জে স্বাস্থ্যসম্মত ও দেশীয় পদ্ধতিতে পশু পালন করা হয়। এ কারণে এ অঞ্চলের কোরবানির পশুর চাহিদা অন্যান্য উপজেলার তুলনায় বেশি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat