1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন

যেভাবে নির্বাচিত হন সংরক্ষিত নারী এমপিরা

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬ Time View

 

 

ন্যাশনাল ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৮ এপ্রিল এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হবে। সোমবার (৬ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত ১১তম কমিশন সভা শেষে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

 

 

সংবিধানের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইসি এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

 

 

সংরক্ষিত আসনের এই নির্বাচন পদ্ধতি মূলত পরোক্ষ ভোটাভুটি। সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী ৩০০ সংসদ সদস্যই এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে গণ্য হন। প্রতি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দের বিধান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণে সংসদ সচিবালয় শপথ গ্রহণকারী সংসদ সদস্যদের তালিকা তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে থাকে।

 

 

এরপর রাজনৈতিক দল বা জোটগুলোকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য ২১ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়। কমিশন ৩০ দিনের মধ্যে দলভিত্তিক আলাদা ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে তা প্রকাশ্য স্থানে টাঙিয়ে দেয় এবং সংসদ সচিবালয়কেও এর অনুলিপি প্রদান করে। একবার এই তালিকা চূড়ান্ত হয়ে গেলে পরবর্তীতে করণিক ভুল সংশোধন ছাড়া আর কোনো পরিবর্তনের সুযোগ থাকে না।

 

পরবর্তীতে দলগুলো তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাত অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকে। অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দলের ৬ জন যদি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হন, তাহলে ওই দল থেকে একজন প্রার্থী সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হবেন। সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে সেই বিশেষ রাজনৈতিক দল থেকে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন এবং সেই দলের নির্বাচিত প্রতি ৬ জন সংসদ সদস্যদের ভোটে একজন বিজয়ী হয়ে সংরক্ষিত আসনের সদস্য হতে পারবেন।

 

যদি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান হয়, তবে নির্বাচন কমিশন সাধারণত প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে। সে ক্ষেত্রে সরাসরি ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ে না।

 

 

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক নির্বাচনী এলাকা থাকে না; তারা সংশ্লিষ্ট দল বা জোটের প্রতিনিধি হিসেবেই সংসদে পরিচিত হন। বর্তমান আইন ও আসন বিন্যাস অনুযায়ী সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন ৩০০টি সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।

 

 

আসন বণ্টনের গাণিতিক সূত্র অনুযায়ী, মোট সংরক্ষিত আসন সংখ্যাকে (৫০) মোট সাধারণ আসন (৩০০) দিয়ে ভাগ করে প্রাপ্ত ভাগফলকে সংশ্লিষ্ট দলের আসন সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয়।

 

 

যদি গুণফল ভগ্নাংশ আকারে আসে এবং তা শূন্য দশমিক ৫ বা তার বেশি হয়, তবে সংশ্লিষ্ট দল একটি অতিরিক্ত আসন পায়। বিশেষ জটিলতার ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে আসন নির্ধারণের বিধানও আইনে রাখা হয়েছে।

 

 

সেই সমীকরণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে বিএনপি ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৩টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি আসন পেতে যাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যদি জোটবদ্ধ হন, তবে তারা অবশিষ্ট ২টি আসন লাভ করবেন। তবে ছোট দলগুলো এককভাবে লড়লে বা জোট গঠন না করলে কোনো আসন পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। সূত্রঃ কালবেলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com