সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সকাল থেকে নেই সূর্যের দেখা, হিমেল বাতাসের সঙ্গে বইছে ঘন কুয়াশা। তার উপর মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় প্রচন্ড শীতে কাঁপছে যমুনাপাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জ।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে কুয়াশার চাদরে ঢাকা ঢাকা রয়েছে সিরাজগঞ্জ শহরসহ জেলার সকল প্রত্যন্ত অঞ্চল। দুপুর গড়ালেও উঁকি দেয়নি সূর্যের আলো। কুয়াশার পাশাপাশি হিমেল বাতাসে শ্রমজীবি মানুষকে নাস্তানুবাদ করে তুলেছে। নিম্ন আয়ের কর্মজীবি মানুষগুলোর স্বাভাবিক কাজকর্মে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
জেলার বাঘাবাড়ি ও তাড়াশ আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে দুটি উপ-কেন্দ্রেই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে জেলা শহরে একাধিক গরম কাপড় পড়ে জীবিকার সন্ধানে নামতে দেখা গেছে শ্রমজীবি মানুষকে। স্বাভাবিক দিনের থেকে জনসমাগম কম থাকায় রিকশা চালকদের শীতের কাপড় জড়িয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে।
শহরের বিপনীবিতান গুলোতে ক্রেতা না থাকায় হাত-পা গুটিয়ে জুবুথুবু হয়ে বসে রয়েছেন বিক্রেতারা। শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
আমিনুল, ফরহাদ, আইনুলসহ বেশ কয়েক রিকশাচালক বলেন, সকাল থেকে কুয়াশার কারণে শহরে লোকজন কম। পেটের দায়ের রিকশা নিয়ে বের হলেও আয়-রোজগার নেই বললেই চলে। শীতের কারণে রিকশায় কেউ উঠতে চায় না।
বাঘাবাড়ি আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান, আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলিসিয়াস। যেটা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন।
অপরদিকে তাড়াশ কৃষি আবহওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি তাড়াশে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
তিনি বলেন, কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরীয় বাতাস বয়ে চলার কারণে শীতের অনুভুতিটা বেশি মনে হচ্ছে। এমন অবস্থা আরও দুই থেকে তিনদিন থাকতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat