
মধ্যরাতে সিরাজগঞ্জে বাঘাবাড়ি ওয়েল ডিপো পরিদর্শনে গেলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ১২টার দিকে বাসা থেকে বের হন তিনি। প্রটোকলের দায়িত্বে থাকা পুলিশও জানতেন না মন্ত্রীর গন্তব্য কোথায়। সার্কিট হাউসে গিয়ে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতুসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে রওনা দেন।
তখনও কেউ বুঝতে পারেননি গন্তব্য কোথায়। গাড়ির বহর নিয়ে শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে বাঘাবাড়ী ওয়েল ডিপোতে রাত পৌনে ১টার দিকে পৌঁছান।
ডিপোর প্রধান ফটক বন্ধ ছিল। পুলিশের ডাকে ফটক খুলে দেন গেটম্যান। এরপর ডিপোর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা খবর পেয়ে ঘুম থেকে উঠে গেটে চলে আসেন। এ সময় পায়ে হেঁটে ডিপো এলাকা ঘুরে দেখেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, দেশে তেলের কোনো সংকট নেই। আমরা সবগুলো ডিপোতে তেল দিচ্ছি। ডিপো থেকে তেলও বের হচ্ছে। তেল বের হওয়ার পরও আমরা দেখছি হাহাকার—দেশে তেল নেই। এটা কীভাবে সুষম করা যায়, কীভাবে তেল দিলে এ ধরনের কথা আর কেউ না বলে সেসব বিষয়ে ডিপো ইনচার্জদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। প্রত্যেক ইনচার্জকে নির্দেশনা দিয়েছি যেন প্রত্যেকটি পাম্পে তেল যায় এবং ঠিকমতো পৌঁছায়। আমি যেন না শুনি কোনো পাম্পে তেল যায়নি। কীভাবে করবে সেই নির্দেশনাও দিয়েছি। আশা করছি তারা এ নির্দেশনা পালন করবে এবং প্রত্যেক পাম্পে ঠিকমতো তেল যাবে।
তিনি আরও জানান, বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপোতে কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে কিনা তা দেখা, চোরাকারবারি বন্ধ করা এবং পরিকল্পনা নির্ধারণের জন্যই মূলত গভীর রাতে ডিপো পরিদর্শন করা হয়। এ সময় মন্ত্রী সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ডিপো এলাকায় কোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় আছে কিনা এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন।
প্রসঙ্গত, বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২০টি জেলার পাম্পে তেল সরবরাহ করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat