স্পোর্টস ডেস্ক
অবশেষ সমাপ্তি ঘটল বিপিএলের চলতি আসরের। টুর্নামেন্টের ফাইনালে মিরপুরের শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে আজ চট্টগ্রাম রয়্যালসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ২০২৬ আসরে শক্তিশালী দল গড়ে রীতিমতো হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছিল দলটি। শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে শিরোপা জিতেই আসরের সমাপ্তি টানল তারা। কিন্তু শীর্ষ ব্যাটার-বোলার হিসেবে নাম লেখাতে পারেননি রাজশাহীর কেউ।
বরং সর্বোচ্চ রান করে এবারের আসরের শীর্ষ ব্যাটার হয়েছেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ ম্যাচে ৩৯৫ রান করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৬৫ রান। এই সময়ে তিনটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ইমনের পরেই অবস্থান করছেন রংপুরের তাওহীদ হৃদয়। ১১ ম্যাচে তার রান ৩৮২। তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ১০৯। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিনটি হাফ সেঞ্চুরিও রয়েছে তার।
এই তালিকার শীর্ষ তিনে রয়েছেন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহীর তানজিদ হাসান তামিম। ১৩ ম্যাচে তার রান ৩৫৬। সর্বোচ্চ ১০০ রান রয়েছে তার। আজ ফাইনালে দুর্দান্ত শতকটি হাঁকান তিনি। এছাড়া ফিফটির সংখ্যাও একটি। রাজশাহীর নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩ ম্যাচে ৩৫৫ রান করে চতুর্থ শীর্ষ ব্যাটারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। তিনিও সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া একটি ফিফটি রয়েছে তার। সর্বোচ্চ রান ১০১।
রংপুরের ডেভিড মালান ৯ ম্যাচে ৩০০ রান করে পঞ্চম সেরা ব্যাটারের তালিকায় রয়েছেন। সর্বোচ্চ ৭৮ রান আর মোট ফিফটি ৩টি।
এবারের বিপিএলে হয়েছে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড। রানার্সআপ চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে এই কীর্তি গড়েন। তার সেরা বোলিং ৯ রানে ৫ উইকেট। গত আসরে তাসকিন আহমেদের ২৫ উইকেটের রেকর্ড ছাপিয়ে নতুন কীর্তি গড়েন এই পেসার।
শরিফুলের পরই অবস্থান নাসুম আহমেদের। ১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সেরা এই তারকা বোলার। তার সেরা বোলিং ৭ রানে ৫ উইকেট। তালিকার তিনে আছেন রাজশাহীর রিপন মন্ডল। দুর্দান্ত বল করেছেন এই বোলারও। ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এই পেসারের সেরা বোলিং ১৩ রানে ৪ উইকেট।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হাসান মাহমুদ ১০ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে চতুর্থ সেরা। তার সেরা বোলিং ২৬ রানে চার উইকেট। এছাড়া রাজশাহীর বিনুরা ফার্নান্ডো ১১ ম্যাচে সমানসংখ্যক উইকেট নেন। তার সেরা বোলিং ১৯ রানে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমান রংপুর রাইডার্সের হয়ে ১০ ম্যাচ খেলে ১৬ উইকেট নিয়েছিলেন। ১৫ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে পঞ্চম সেরা মেহেদী হাসান ও আমির জামাল। চট্টগ্রামের দুই বোলারের সেরা বোলিং যথাক্রমে ১২ রান দিয়ে তিনটি ও ৩৪ রানে চার উইকেট।
এছাড়া এবারের বিপিএলে সেরা ব্যক্তিগত ইনিংস হৃদয়ের। নোয়াখালীর বিপক্ষে ১০৯ রান করেন তিনি। সর্বোচ্চ ১৯ ছক্কা মেরেছেন সিলেটের পারভেজ হোসেন ইমন ও রাজশাহীর তানজিদ। এবারের বিপিএলে সেঞ্চুরি হয়েছে মোট চারটি। হাসান ইসাখিল, হৃদয়, শান্ত ও তানজিদের। সবচেয়ে বেশি ১০টি করে ক্যাচ নিয়েছেন রংপুরের লিটন দাস ও তানজিদ। এবারের আসরে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহে কেউ দুশ পার করতে পারেনি। চট্টগ্রাম সিলেটের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৯৮ রান করেছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব নুরুল হক নয়ন
✆ ০৯৬৩৮-৯০৭৬৩৬। ই মেইল: thedailydrishyapat@gmail.com
।
Copyright 2025 Pratidinerdrishyapat