মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার লিখিত বক্তব্যে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান তার বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যান।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকারের বিতর্কের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাড়াশের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ভিডিওটি নিজ নিজ ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিভিন্ন কমেন্ট করছেন নেটিজনরো।
আব্দুল বারিক খন্দকার অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুজন ঘোষক ধারা বিবরণী পাঠ করছিলেন। আমরা লক্ষ্য করলাম সেখানে জিয়াউর রহমানের নাম নেই। এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আফসার আলী ইউএনওর কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেন। বলে আসার পরে একটিবার বললেন মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়াউর রহমান। সকল অনুষ্ঠান শেষে ইউএনও মহোদয় বক্তব্য রাখলেন, আমরা লক্ষ্য করলাম একটিবারও তিনি জিয়াউর রহমানের নাম বলেন নাই। পরে আমরা ইউএনওকে বলে অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে এলাম।
তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ জিয়াউর রহমানকে স্মরণ না করা, স্বাধীনতার ঘোষণা উনি দিয়েছেন সেটা উল্লেখ না করা এটা খুবই লজ্জাকর। তার লিখিত বক্তব্যে একবারও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম বলা হয়নি। তিনি ইউএনওকে দুর্নীতিবাজ উল্লেখ করে বলেন, তিনি প্রায় ৮ কোটি টাকা লুট করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, অনুষ্ঠানে আমার লিখিত বক্তব্যটা ছিল ওখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ থেকে শুরু সবার কথা বলেছি, সম্মান জ্ঞাপন করেছি। পরবর্তী অনুষ্ঠানে আমাদরে এমপি মহোদয় ছিলেন, ওখানে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তা ছাড়া এখন আর তেমন কোন জটিলতা নেই।
