1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন

গাড়ীতে তেল তোলার পরিমাণ ও সময় বেঁধে দিলো বিপিসি

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৯ Time View

 

ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। এই সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তেল সংকটের গুঞ্জনে ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে এবং মজুতদারি রোধে তেলের সরবরাহ সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) এক জরুরি নির্দেশনায় বিপিসি এই নতুন নিয়ম জারি করেছে। বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি যানবাহন দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল নিতে পারবে না।

 

নির্দেশনায় বলা হয়, দিনে একটি মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার (পেট্রোল/অকটেন), ব্যক্তিগত গাড়ি (কার) সর্বোচ্চ ১০ লিটার (পেট্রোল/অকটেন), এসইউভি (জিপ) ও মাইক্রোবাস ২০ থেকে ২৫ লিটার (পেট্রোল/অকটেন), পিকআপ ও লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার (ডিজেল) এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান নিতে পারবে ২০০ থেকে ২২০ লিটার (ডিজেল)।

 

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমান যুদ্ধাবস্থায় সরবরাহ ব্যবস্থা কিছুটা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে নেতিবাচক গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহক ও ডিলারদের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ ও অবৈধ মজুতের প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এই কৃত্রিম সংকট রুখতেই তেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

 

জনগণের আতঙ্ক কমানোর লক্ষ্যের কথা জানিয়ে নির্দেশনায় বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নিয়মিতভাবে চালান দেশে আনা হচ্ছে উল্লেখ করে বিপিসি জানায়, পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারা দেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন/ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল পাঠানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুত) গড়ে উঠবে।

 

এছাড়া ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে রসিদ দিতে হবে এবং প্রতিবার তেল কেনার সময় আগের রসিদ দেখাতে হবে বলে জানানো হয় নির্দেশনায়।

 

বিপিসি আরও বলছে, ডিলাররা বরাদ্দ ও ভোক্তার ক্রয় রসিদ গ্রহণ করে তেল সরবরাহ করবে। ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রির তথ‍্য ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল গ্রহণ করবে।

 

ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহের আগে বর্তমান বরাদ্দ ও মজুতের তথ‍্য পর্যালোচনা করে সরবরাহ করা হবে এবং কোনো অবস্থায় বরাদ্দের চেয়ে বেশি তেল দেওয়া যাবে না বলেও উল্লেখ করেছে বিপিসি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com