
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। তাকে হত্যার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাস। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘জঘন্য’ হামলা বলে আখ্যা দিয়েছে।
রোববার (০১ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি আমাদের জনগণ, আমাদের ন্যায্য দাবি এবং আমাদের প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি সব ধরনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক সমর্থন প্রদান করেছেন।
হামাস জানিয়েছে, এই প্রকাশ্য আগ্রাসন ও জঘন্য অপরাধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ও ইসরায়েল পূর্ণ দায় বহন করবে। এই হামলা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। এর ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুতর প্রভাব পড়বে।
সংগঠনটি আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা যেন রাজনৈতিক, আইনি ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
রোববার (১ মার্চ) ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
সরকারিভাবে তেহরান খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করার পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি এবং তার জন্য শোকাহত। মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসীদের হাতে তার শাহাদত প্রমাণ করে-তার নেতৃত্ব তাদের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছিল।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যাদের হাতে আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন, এই জাতি তাদের ছাড়বে না। ইরান প্রতিশোধ নেবে এবং দেশি-বিদেশি যে কোনো ষড়যন্ত্র নির্মূলে আইআরজিসি বদ্ধপরিকর।’