ঈদের আগের দিনই ফাকা হয়ে গেছে দেশের ব্যস্ততম যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক। টানা চারদিন ঈদের ছুটিতে ঘরে ফেরা মানুষের ঢল নেমেছিল এই মহাসড়কে। এই রুট দিয়ে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটর সাইকেল, পণ্যবাহী ট্রাক এমনকি কাভার্ডভ্যানযোগে বাড়ি ফেরে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকেই এ মহাসড়কে চাপ কমতে থাকে। দুপুরের দিকে একদম ফাকা হয়ে যায়। যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়ক ছাড়াও উত্তরবঙ্গমুখী সিরাজগঞ্জের সকল রুটে স্বাভাবিকের চেয়েও যানবাহন চলাচল কমে গেছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন চলাচল করেছে। বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫০ টাকা।
এর আগে সোমবার (১৫ মার্চ) বিকেলে থেকে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের ঢল নামে। যমুনা সেতু দিয়ে স্বাভাবিকের তুলণায় দুই থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত গাড়ী পারাপার হয়। যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও কোন যানজট বা ধীরগতি ছিল না। ফলে উত্তরের ঈদযাত্রা ছিল যে কোন বছরের তুলণায় স্বস্তির।
যমুনা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের কারণে টানা চারদিন যমুনা সেতু দিয়ে দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত গাড়ী পার হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে গাড়ীর চাপ কমেছে।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিনের ব্যস্ততা শেষে আজ দুপুরের পর থেকে মহাসড়ক ফাকা হতে শুরু করেছে। যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বর থেকে পুরো মহাসড়কে মাঝে মধ্যে কিছু সংখ্যক গাড়ী চললেও বেশিরভাগ সময় রুটটি ফাকাই থাকছে।
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। মানুষের নিরাপত্তায় সাড়ে ৬শ’র বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ফলে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।







